1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. kapasiabarta.editor1@gmail.com : kpbarta :
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| ভোর ৫:০৩|
Title :
“দৈনিক কাপাসিয়া বার্তা”পরিবারের পক্ষ থেকে সকল পাঠকদের নতুন বছরের শুভেচ্ছা এডভোকেট আজিজুর রহমান বাবুল কাপাসিয়া সদর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোওয়া ও আশির্বাদ কামনা করেন। গাজীপুর জেলা প্রশাসকের অভিযানে মেসার্স আব্দুল আলী ফিলিং স্টেশনে অবৈধভাবে মজুদকৃত ২৮,৫২১ লিটার ডিজেল ও ৫,৪৪০ লিটার অকটেন উদ্ধার। অপরাধীকে ১মাসের কারাদণ্ড। কালীগঞ্জ উপজেলাস্থ বিএম এনার্জি লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানকে সরকার নির্ধারিত দামের থেকে বেশি দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রয়ের অপরাধে ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড সম্পাদকীয় মন্তব্য (Editorial Note) 🇧🇩 কাঁঠাল — বাংলাদেশের জাতীয় ফলের গৌরবগাঁথা সুবাসে ভরা, স্বাদে অনন্য—কাঁঠালেই লুকিয়ে আছে গ্রামবাংলার প্রাণ। মার্কিন স্থল অভিযান শুরু হলে ইরানকে সাহায্য করতে সেখানে যেতে প্রস্তুত রাশিয়ান চেচেন আর্মি মহান আল্লাহ তায়ালা ছাড়দেন-ছেড়ে দেয় না! টাইটানিক জাহাজের মতোই ডুবানোর অপেক্ষায় মার্কিন সেরা রণতরী। গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় জ্বালানি তেলের সঠিক সরবরাহ ও নির্ধারিত মূল্য নিশ্চিত করতে মনিটরিং উপজেলানির্বাহী কর্মকর্তা ডা. তামান্না তাসনীম। বাংলাদেশে বর্তমানে কোন প্রকার জ্বালানি সংকট নেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী:

ভূমিদস্যু কাজী কবিরের শেষ কোথায়।

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬৬০ Time View

স্টাফ রিপোর্টার:কাজী শাকিল

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার ঠেকরা কাজীপাড়া গ্রামের কাজী কবির বিরাট ব্যক্তিত্ব, যে কোন মানুষ তাকে দেখলে মনে করবে তিনি একজন ঈমানদার ব্যক্তি রয়েছে লম্বা দাড়ি নামাজ পড়ে কপালে অনেক বড় দাগ ফেলিয়েছেন আসলে তিনি নামাজি হলেও তিনি একজন ভূমিদস্যু বলে জানা গেছে, এলাকা বাসি কাজী মোহাম্মদ এর বক্তব্য কাজী আব্দুল্লাহ বেঁচে থাকাকালীন এ ঝামেলা গুলো করে থুয়ে গিয়েছেন, কাজী নুরুল ইসলাম নুরো, মোহাম্মদের আপন বড় ভাই, তিনি মৃত কাজী আব্দুল্লাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন তিনি সকল ঝামেলার মূল হোতা বলে জানিয়েছেন, কাজী নুরো মৃত কাজী আব্দুল্লাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আরও বলেন আমার ছোট ভাই মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ভদ্দার কাছ থেকে মৃত কাজী আব্দুল্লাহ হজে্ যাওয়ার আগে ১৮ শতক জমি লিখে নিয়েছেন তাহলে আমাদের জমিটা কোথায়, এছাড়া রেকর্ড মূলে একজনের জমি আরেক জনের ভিতরে দিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করে গিয়েছেন বললেন কাজী নুরো,অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা যায় মৃত কাজী আব্দুল্লার যত কাগজপত্র দলিল রয়েছে সকল কাগজপত্র জেল কাস্টোরিতে জব্দ রয়েছেন এই দুই নাম্বারি করার কারণে, অনুসন্ধানের মাধ্যমে আরো জানা যায় মৃত কাজী আব্দুল্লার মেয়ে জামাই ভূমিদস্যু কাজী কবির, এদিকে সুমনের আপন চাচাতো ভাই কাজী জাহাঙ্গীর আলম তিনি বলেছেন মৃত কাজী আবদুল্লাহ তিনি আমার দাদা মারা যাওয়ার পরে সকল কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল তাই মৃত আব্দুল্লাহ মোটেও ভালো মানুষ ছিলেন না,অন্যদিকে ঠেকরা সদর মসজিদের মোয়াজ্জেম মুনছুর নামে এক ব্যক্তির কাছে রিটার্ড প্রাপ্ত সাবেক জনতা ব্যাংকের অফিসার কাজী কবির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন কাজী কবির মোটেও ভালো মানুষ নয়, তিনি আরো বলেছেন আমার পাশের বাড়ি আমি তাকে ভালভাবেই জানি, এদিকে কাজী শফিকুল ইসলাম সহ চার ভাই বাবার সম্পত্তি নিয়ে কবিরের সাথে কথা বলতে গেলে কবির বলেন তোমরা কোন জমি পাইবানা আমার আরও ১১ শতক জমি কম আছে, এদিকে জমি মেপে বোঝা যায় কাজী কবির ঐ প্লোডে ২২ শতক জমি ভুল বুঝিয়ে জবর দখল করে খাচ্ছেন, কাজী কবিরের বাসায় কাজী শফিকুল ইসলামসহ পাঁচ ভাই ভিটে বাড়ির ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন তোমাদের ভিটের উপরে বাড়ি আমার, জায়গা আমার, পুকুর আমার, এর প্রেক্ষিতে এশিয়ান টেলিভিশনের অপরাধের খোঁজের রিপোর্টার কাজী শাকিল ভিটে বাড়ির কথা জানতে চাইলে কাজী কবির বলেন তোমাদের ভিটা বাড়িও আমার এ কথাও তিনি জানিয়েছেন, এক পর্যায়ে তিনি নিজের মুখে বলেন আমি একজন বেঈমান আমি মেনে নিলাম বলে তিনি নিজের মুখে জানিয়েছেন, এদিকে কাজী কবির বাদী হয়ে কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে জমির বিষয় নিয়ে বিচারের আয়োজন করেন,পরবর্তীতে কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম এর নেতৃত্বে বিচারে বসেন,প্রথম বিচারের দিন তিনি দলিল কাগজপত্র দেখালেন, কাজী সুমন সহ পাঁচ ভাই ওনারাও কাগজপত্র দেখাইলেন,

চলে আসলো পরের বিচারে সেখানে দুই পক্ষের দুজন অ্যাডভোকেট উপস্থিত ছিলেন, এদিকে কাজী কবির যে দলিলগুলো বিচারকদের সামনে নিয়ে এসেছিল ৩টি দলিলে কাটাকাটি করা ছিল, বিবাদী পক্ষের ক্রিমিনাল কোর্ডের অ্যাডভোকেট মো: রফিকুল ইসলাম দলিল কাটাকাটি দেখে আশ্চর্য হয়ে বললেন এটা কি করেছেন এত কাটাকাটি কেন এই কাজটি আপনারা ঠিক করেন নাই,

দুইজন অ্যাডভোকেটের সিদ্ধান্তই কাজী কবির ৮৬ শতাংশ জমির রায় পেয়ে যায়, কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম আরো বলেন ৮৬ শতক জমি আপনাকে বুঝিয়ে দেওয়ার পরে যদি কোন জমি থাকে সেটা মূল মালিক পাবে এভাবেই রায় হয়ে যায় বিচারে, চেয়ারম্যান সহ ঐ বিচারে অনুমতি দিলেন একটি সরকারী ভালো আমিন নেওয়ার জন্য, কাজী শফিকুল ইসলাম একটি আমিন এর ব্যবস্থা করলেন, জমি মাপলেন, কালি করলেন, এবং প্লট বাহির করলেন আমিন মোহাম্মদ আরিফ হোসেন, মাপ অনুযায়ী কাজী কবিরকে বুঝিয়ে দেওয়ার পরে ২২ শতক জমি পেয়ে বেশি রয়ে গেলো, কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বিচার অনুযায়ী জমি গেলেন কাজী শফিকুল ইসলাম সহ পাঁচ ভাই,বর্তমান ওই ২২ শতক জমি দখলে রয়েছেন কাজী শফিকুল ইসলাম এর পক্ষ,

৫ নং কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের রানিং চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল কাশেম রায় দিয়েছেন ৮৬ শতক জমি পাইবেন কাজী কবির এর বাহিরে এক শতক অথবা পাঁচ শতক জমি বেশি থাকলে মূল মালিক পাবে বলে জানিয়েছেন বিচারের রায়ে।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের রায়ের প্রেক্ষিতে সরজমিনে যেয়ে জমি মাপার পরে দেখা যায় কাজী কবির যতটুকু কিনেছেন সবটুকু ভোগ দখলে রয়েছে, ৪৫৬ দাগে কাজী কবিরকে বুঝিয়ে দেয়ার পর ২২ শতক জমি বেশি বেশি ছিলো, এদিকে কাজী কবির এই বিচার না মানার কথা বলেছেন, গত ২০/০২/২০২৫ ইং তারিখ শফিকুল ইসলামসহ চার ভাইকে বিচারে ডাকে বিচারে উপস্থিত হলেন শফিকুল ইসলামসহ চার ভাই, দুঃখের বিষয় ওই বিচারে তাদেরকে কোন কথা বলার সুযোগ দিচ্ছেন না এক পর্যায়ে তাদেরকে বাহির করে দিলেন কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে, তারপরে ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে এসে দাঁড়ালেন চার ভাই, হঠাৎ কাজী কবিরের সন্ত্রাসী বাহিনী, সন্ত্রাসী কাজী হাফিজ , কাজী রাসেল, রউফ মড়ল, চরিত্রহীন দাউদ জামাত কর্মী, কাজী মোহাম্মদ, কাজী নুরো, প্রফেসর কাজী রওনাকুল ইসলাম, ভদ্র খালি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সাবেক শিক্ষক বর্তমান বিএনপি ৬ নং নং ওয়ার্ড সভাপতি কাজী শহিদুজ্জামান শহিদুল, বিএনপি নেতা মোঃ কাজী সাইফুল ইসলাম, সহ জামাতের কয়েকজন নেতা কর্মী এসে বেধর মারপিট করলেন চার ভাইকে, কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সকল বিচারকে অমান্য করে ভূমিদস্যু কাজী কবির চলে গেলেন সাতক্ষীরার এডিএম কোর্টে মামলা করলেন ১৪৫ ধারা, তারপরে জমির মূল মালিকপক্ষ কাজী সুমন বাদী হয়ে মামলা করলেন ১৪৫ ধারা এ ডিএম কোর্টে,দুই পক্ষের মামলা চলমান রয়েছে ঐ জমির উপরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সন্ত্রাসী কাজী হাফিজ, চরিত্রহীন দাউদ জামাত নেতা, রউফ মড়ল জামাত নেতা, শফিকুল গাজী, সামছুর গাজী, সিরাজুল ইসলাম এবং বিএনপি’র ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম সাবেক শিক্ষক ভদ্র খালি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফজলু ঢালী, নামবিহীন ছিল আরো

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 20205            Themes by BDITWork.com